মালিকের মেয়ের মনের ইচ্ছা পূরণ 🥴😋

মালিকের মেয়ের মনের ইচ্ছা পূরণ 🥴😋


বাসার মালিকের মেয়ে এক বোন ১৬ আর এটার ১৩ পাট ১আমি রাফি দেশের বাড়ী কুমিল্লা। চাকরি করি গাজিপুরে একটা পাইভেট কম্পানিতে। আমার বয়স ২৫ বেশী দিন হয়নাই চাকরীতে। পড়াশুনো শেষে করে চাকরীতে জয়েন্ট করি। ভালো টাকাই পাই চাকরীতে। কম্পানি কোয়াটার দিয়েছিলো কিন্ত ছার পোকার কারনে ঘুমতে পাড়ি না। তাই বাহিরে একটা বাসা নিছি আর একা থাকতে আমি প্ছন্দ করি।

এখন আসা যাক কাহিনতে

বাসা সহজে পাচ্ছিলামনা,আমার পরিচিতো রফিক ভাই  বল্লো তার বাসায় ছাদে একটি রুম আছে আর সাথে কিচেন ওয়াসরুম সহ  ওনি এটা বানাইছে একলা সময় কাটানুর জন্য। আর এখন একটু টাকার সম্যসায় আছে তাই এটা ভাড়া দিবে আমি বল্লাম চলেন দেখে আসি। বাসায় যাওয়া পার আমার সব কিছু খুব ভালো লাগলো।ভাবীর সাথেও কথা বল্লাম। সে দেখতে মনে হয় ২৩ কি ২৪ বছের মেয়ে একটু মেদ নই শরিলে  আর ফরসা ধপধপে। কথা বলে মনে হলো খুব কামুকে মহিলা। আমি ও দিকে নজর না দিয়ে রফিক বল্লম কত টাকা চান বাড়া, ওনি বল্লো ৭ হজার টাকা আমি ৬ হাজারে ঠিক করলাম বাকি খরছ সব রফিক ভাইয়ের। 

বাসাথেকে বের হওয়া সময় দেখি দুই জন মেয়ে বাসয়া ঠোকছে আর রফিক ভাইকে বাবা বলে বল্ল কে ওনি ভাই বল্ল এটা তোমাদের রাফি কাকা। আর ওনি এখন থেকে উপরে থাকবে। রফিক ভাই বল্লো এটা আমার বড় মেয়ে লিমা আরা এটা ছোট মেয়ে সিমা। আমি ভালো মন্দ জিগাস করে চলে গেলাম।

রাতে আমার সব কিছু নিয়ে বাসায় আসলাম কলিংবেল দিতেই দরজা খুলো লিমা। ওকে দেখে আমার হুস উরে গেলো। বিকালে তো বেকরা পড়া ছিলো এখন দেখি হাতা কাটা গেন্জি আর ছোট একটা পেন্ট যেটায় ওর পায় এর উপরের অংশ বেশীটা খোলা। আমাকে দুটো চাবি দিয়ে বল্লো এটা উপরের আর এটা নিছের গইটের। আমি কি দেখলা এটা আমি এতো সুন্দর মে মনে হয় আর দেখি নাই। ও একটু  শরীল বেশি এটাকে মোটা বলা যাবেনা। দুদু দুটা ৩২ আর কোমার ৩০ পাছা ৩২ হবে ১৬ বছরে মেয়ের যেমন হয়।আর একেবারে মার মত ফরসা। আমি সবকিছু উপরে তোলাম রফিক ভাই এসে হেল্প করলো। রাতে সব কিছু ঠিক করলাম। রাত পায় ১২ টা বাজে বাহিরেও খাবার পাবো না আর এখন পাকাতে গেলেও দেরি হয়ে যাবে সকালে অফিস আছে তাই বাবলা পানি খেয়ে ঘুমিয়ে যাবো। দরজো খোলা ছিলো। আমি পিছনে গুরতে দেখি লিমা দরজার দাড়ানু হাতে দুটা বক্স। ও বল্লো কাকা আপনা খাবার। বলেই রেখে দোড় দিলো বুঝলাম লজ্জা পাইছে মনে হয়। খাওয়া দাওয়া শেষে  ঘুমালাম। 

পরেদিন সকালে উঠে অফিসে গেলাম। রফিক বল্লো কেমন কটলো রাত। আমি বল্লম ভালো অনেক দিন পর শন্তির  ঘুম হলো।ভাই বল্ল তুমিতো রাতে ফ্রি থাকো লিমা সিমাকে একটু অংক টা দেখিয়ে দিয়ো। লিমা নাইনে পরে আর সিমা সেবেনে । আমি তখন বোঝলাম কেনো নিজেই এসে আমকে বাসায় নিয়া নিলো। আমি না করতে পারলাম না। বাসায় যাওয়া পড় গোসল করে পেস হলাম। তখন ভাবির এলো বল্লা রাফি তোমাকে আমি তুমি বালেই ডাকি কেমন? আমি হা বল্লাম ওকে সম্যানেই। লিমা সিমার কথা তোমার ভাইতো বলছে। ওরা একটু অংকে দুরবল একটু দেখে দিয়ো। আর রাতে আমাদের সাথে খাওয়া দাওয়া করবে। ওকে আমি ওদের কে অংক করাবো কিন্ত খাওয়া দাওয়া আমি নিজেটা নিকেই করবো এটা নিয়ে আপনাদের বাবতে হবেনা। ভাবী বল্ল না রাফি রাতে আমদে সাথেই খেতে হবে। ওকে রতে ৭ টা সময় লিমা সিমা আসবে বলে চলে গেলো। 

৭ টায় দরজা লক করোল, দরজা খুলে দেখি লিমা সিমা দুইজনে আসছে আমার রুমে একটা টেবল ছিলো এটাতে ওরা বসলো। ওকে আমি বলাম কি কি সম্যসা আছে তোমাদের বলো সিমা বল্ল কাকা লিমা অংক পাড়েনা একে বারে। লিমাকে বলাম লিমা কি সম্যসা বলো। ও কিছুই বলছে না আমি বল্লাম গত পরিক্ষায় কত পাইছো। সিমা বল্লো ৫ পাইছে। লিমা লজ্জা পাইছে। আমি সিমাকে দমক দিলাম বল্লব তুমি চুপ করো। লিমা বল্লো কাকা আমি সব পাড়ি শুধু অংক ছাড়া ওটা আমার মাথায় ঠোকেনা। আমি সবকিছু দেখে বল্লব ওকে আমি বুছি আমি একটা পরিক্ষা নিবো দেখি তুমি কি কি পারো কালকে। আর সিমাকে বল্লম তোমার কি কি সম্যসা  ও মোটামুটি ঠিকছিলো ।।

পরের দিন পরিক্ষায় দেখলাম লিমা তেমন কিছুই পাড়ে না সিমা মোটামুটি । তাই বল্লম তোমাকে আলেদা করে সময় দিতে হবে তাই তুমি আমি অফিস থেকে আসলেই তুমি আসবে। লিমাকে দেখই আমার বাড়া খাড়া হয়ে যায়। অনেক কষ্টে নিজেকে কন্টল করি।

ও যখন আসে আমি লিমাকে পড়ে বসিয়ে গোসল করতে যাই ওয়ালে পড়ে খালি গায়ে  যখন বের হই ও চেয়ে থাকে আমার বডির দিকে ৬ ফিট উচ্চতার আমি। একদিন হঠাত করে তোয়ালে খুলে গেলো লিমার সামনেই। আর ও কে দেখেতো এমনেতেই বাড় খাড়া হয়ে থাকতো। ও আমর ১০" বাড় দেখে চোখ বড় বড় করে পেলো। আমি তারাতারি করে তোয়ালে উটালাম। আমি ওকে সরি বলাম। ও  বল্লো সম্যাস নেই এটাতো একস্ডেন। আমি আর কিছু বল্লাম না। এই বাভেই পাড়াতে লাগলাম। 

এবাবে ৩মাস কেটে গেলো এখন লিমা সিমা ভালোই অংক করতে পারে। এখন ওদের পরিক্ষা 

দিয়ে এসে লিমা বল্লো আপনি আমার জিবনটা পাল্টইয়া দিছেন। আমি ৯০ এর এন্সার করেছি আজ। এটা ও ওর বাবা মাকে বল্লো এতে ওরা খুব খুষি হলো। 

১০ দিন পর রেজান্ট দিলো লিমা পাইছে ৮২ আর সিমা পাইছে ৯৮। এই রেজাল্ট দেখে আমিও অবাক হলাম এতো তারাতারি এরা এতো উন্নতি করছে। লিমা এতো খুশি হইছে যে ও আমাকে জরিয়ে দরছে। এমন তো অনেক মেয়ই আমাকে জরিয়ে দরছে এমন লাগেনাই ওর বুকের দুূুদু  দুইটা একে বারে আমার শরিলে সাথে লেগেছিলো।এর ম্যধে আমর বাড় শক্ত হয়ে ওর তল পেঠে ধাক্কা দিতে লাগলো ও সেটা খুব মজা নিচ্ছে আমি বুঝতে পারছি। কিছু খন পড় ও আমকে ছেড়ে দিয়ে একটু দুরে গেলো সিমা এসে আমারকে জরিয়ে দরলো আমর খাড়া ধনের ধাক্কা খেলো এবার ও। ওর শরিলে যেনো বিজিল্লির সট লাকছে ও আমকে ছেড়ে দিয়ে আমর টওজারের উপর দিয়ে ফুলা বাড়ের দিকে তাকিয়ে রইলো। এর ম্যধে ওদের সাথে আমার ভালো সম্পক হয়ে গেলো। তাই অংকের পাশা পাশি ওদের অন্যান বিষয় দেখতে লাগলাম। লিমা কিছুটা চেন্জ আমি লক্ষ করলাম আমি এখন ও আমার সমনে আসলে ছোট পেন্ট আর গেন্জি পরে আসে বেশি ও শুধু টবিলের উপর দুদু দুইটা চাপ দেয় যেনো এটা বাহিরে আসে আর আমাকে দেখায়। আমার পা এর সাথে গষা দেয় আর শুধু শুধু টবিনের নিছে যায়।আমি একবার বাবলাম টেবিলের নিছে কি করে দেখি একবার। আমি নিছে তাকায়ে দেখে ওর একহাত দুদ টিপছে আর এক হাত যোনীতে চালাছে। আমি বলাম কি করছে উপরে আসো। ও হতোবম্বো হয়ে গেলো। আমি বলাম তোমাকে আর পড়াবো না আমি তুমি এখন চলে যাও। ওকে একটু ভয় দেখালাম। 

এবার ও কেদে দিলো বলো কাকা আমি ভুক করেছি আমি আর করবো না এই রকম। আমকে মাফ করে দিন। আমি বল্লম একথা তোমার বাবা কে বলে দিবো আমি। এবার ও আরো বেশী কাদতে শুরু করলো। বললে আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো, আমকে মাপ করে দিন। আমিতো এই কথা শুনার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। আমি বলাম ওকে ঠিক আছে আমি যালবো তো করবিতো?  

ও বলো হা করবো। ওকে বস, আমি সুযোগ কাজে লাগাতে হবে বাভতে লাগলাম। আমি জা জা জিগাস করছি সব সঠিক বলবি।  ওকে কাকা আমি বলবো। তুই কবে থেকে এটা করিশ। কাকা আমি এক মাস হলো।

তুই কেনো করিস এটা। কাকা জানিনা আপনাকে দেখলে আমার যোনীতে কুট কুট করে লাগে তাই এটা করি। তুই কারো সাথে সেক্স করছো । না কাকা আমি এখনো বারজিন। সেক্স করতে  মন চায়।হা কাকা খুব চায়। যোনির উপরে দিয়ে গোষোস  না আংগুল ঠুকাছ?না শুধু উপরে গষি। এই দিকে আয় ও এসে আমার পাশে দাড়ালো ওর গায়ের থেকে একটা মাতাল কার গন্ধ আসলো আমার নাকে। খাটে বাসতে বলাম আমি চেয়ার টা গুরাইয়া মুখা মুখি হয়ে বসলাম। দেখি লিমা তোর দুধ দুইটা দেখে বলে গেন্জিটা উপরে দিকে উঠালাম ও কিসুন্দর দুধ আমি পুরা পাগল হয় জাছিলাম  কেউ কি চুষে কোনো দিন বল্লো না একজন নে শুধু টিপছে একবার।

এবার আমি দুই হাত দিয়ে দুইটা দুধে দরলাম। এতো সুন্দর দুধ আমার হাতের ম্যধে চলে এলো ৩২ সাইজের দুধ টিপতে লাগলাম।উপরে নরম ভিতরে কিছুটা শক্ত জেরে টিপ দিতেই চিতকার দিয়ে উটলো ব্যথা কর বলো। এবার ধাক্কা দিয়ে খাটে শুয়াইয়া দিলাম মুখ দিলাম দুধে একটা চুষি আর একটা টিপি ও চোখ বন্ধ করে ও আ ও আ করছে এবার মুখ উটাইয়া দুইটা গোলাফী ঠোটে কিচ করতে লাগলাম ঠোট কামরাতে লাগলাম।

দুই হাতে বোবস টিপছি আর কিচ করছি।

এবার একটা হাত নাভী কাছে আনলাম খামছে ধরলাম নাভী ওর পুরা শরিল কাপতে লাগলো। আবার বোবসে মুখ আনলাম ওর ছোট ছোট নিপিল দুইটা চোষতে  চোষতে পেন্টর উপর দিয়ে যোনিতে চাপদিলাম দেখ যোনির রসে পেন্ট ভিজে গেছে। 

পেন্টা টেনে খুলে পেল্লম আর আমর সমানে এ নয়া যুবতী পরু লেংটা হয়ে সুয়ে আছে। আমি মন ভরে দেখছি ওকে দুই পা ফাক করতেই যোনী যেনো গোলাপী পাবড়ী খেললো আরও দুই হাত দিয়ে মুখ ঠাখলো লজ্জয়।

কিচ্ছু ভাবার আগই মুখটা চেপে দরলাম ওর যোনীতে, ও পুরা শরীল ধর ধর কররে কেপে উঠলো আর যোনি দিয়ে অল্প অল্প কর রস বের হচ্ছে আমি সেটা চেটে চটে খাছি। রসর সাধটা একটু নোন্তা আর আমি এটার গন্ধে মাতাল হয়ে গেছি। জিবটা যোনীর ম্যধে ডুকাইয়া দিছি। দিয়া উপর নিছ উপর নিছ করতেই ও বিছনার চাদর খামছে দরে কোমরটা উপরের দিকে দিয়ে চিরিত চিরিত করে কাম রস ছেড়ে দিলো আমর মুখে। কাম রস ছেড়ে দিয়ে ও কিছুটা সান্ত হলো। আমি আর থাকতে পাড়লাম না দোড়ে গিয়ে ওয়াসরুমে হাত মেরে সান্ত হলাম।

ওয়াস রুম থেকে বাহিরে আসে দেখি ও বিছনা চাদর গায়ে দিয়ে সুয়ে আছে। আমি বল্লম সিমা আসবে এখন ওঠো আর ওয়াসরুমে যাও বাকিটা পরে হবে অন্যদিন। তবে আমি মনে মনে ভায় পাছিলাম আমার ১০ " বাড় এই কচি মেয়ে নিয়ে পরবে কি না। ১৫ মিনিট পর ওয়াস রুম থেকে বের হয়ে পড়ে বসলো, কিছুখন পা সিমা আসলো আর দুইজকে পড়ালাম। রাত নয়টা পযন্ত। লিমা শু আমার দিকে তাকিয়ে মিট মিট করে হাসে আর লজ্জা পায়।

End

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url